সাহিত্য পত্রিকা-ই বলা যেতে পারে...

স্বদেশ মিশ্র

 ১।।


হে নিরীশ্বর, নৈরাত্মা, নির্ভরতাহীন

জীবনের মধ্যে কিছু হুঁ মন্ত্র ছাড়া ফট স্বাহা বলেছিলে যদি, ওঁকার ভুলে যদি গিয়ে, কাটা কাটা কূহক সম্প্রীতি, আদরের স্থল, পদ্ম এঁকে কমলজবা ধরো মৌলিঘাস, ধরো তুমি হঠকারী আড়ালগুলো ভুলে, সমর্পণে মিশেছিলে যদি, বিল্বকুটীরের গল্পগুলো সারা শরীরের ঢেউ স্থায়ী ভাবে এঁকে দিয়েছিলো, তবে কি ছিলো ভোলানোর, কি আলো সংস্রবে এলোচুল মেলে পায়ে ধরে কেঁদে ফেলেছিলে, যেওনা যেওনা হায় বলে, আমি ভাবি এই তত্ত্ব, ভেবে ঠুকি বুক, বার বার ঝুঁকে পড়ি ধ্যানের বিস্তারে, এইটুকু চেয়েছি যখন, এইটুকু ভুলতে পারিনা...


 ২।।


দিনান্তে মুকুরকথা বলো,

নিঝুম দুচোখে বলো সারসের স্তব

ঊর্ধরতি রূপল তরণী, 

বীতকথা স্বরলতা ছেড়ে 

মাঠে মাঠে কোথায় হারালো

বলো জলরেণু বলো আকাশের পথ,

কোনখানে সে গতি বদলে নিলো

যখন আগুন মানে জ্যোতি

যখন ফাগুন আসে যায়

হুঁশ তার থাকেনা তখন,

লেখো কর্পূর, লেখো কূটস্থমঞ্জরী

কোনোদিন জাগিবেনা আর জানিবার

গাঢ় মেটাফর অবিরাম ভেঙেচুরে দাও

লিখে যাও যা যা তুমি লেখোনি তখনো

তখনও সারসবর্ণ কথা, কথার ওপারে দাও শিস, ফিরিয়ে ফিরিয়ে আনো এলাচের দানা, গোমাংসের সাধ, মধুপর্ক, ইত্যাদি, অথবা...


image8