সাহিত্য পত্রিকা-ই বলা যেতে পারে...

কুন্তল কোলে

 জিরাফে থেকে রোম

শুয়ে থাকলেই জাফরান সূর্যাস্ত,
শিয়রে বুড়ি বেশ‍্যার মাঙ্গলিক,
ডানহাতি চেয়ারের বাম পায়ে লগ্ন ভ্রষ্টা চাঁদ
আর ডান পায়ে ব্লাউজের আস্তিন থেকে 
ঝুলে থাকা রাতের স্তনাকার সানগ্লাস। 


বিদিশার মাছের চৌবাচ্চায় থাকা গৃহপালিত  মাতাল প্রজাপতির শরীরে; বডিওয়‍্যেলের গন্ধ পেলেই খুলে যায় গোলপোস্ট থেকে জানলা ,
বিছানা থেকে পায়খানাঘর
দেখা যায় জন্মান্তর আর ছমাস সুমেরু
অকস্মাৎ ঘুম পায় আর আলৌকিক উরুদ্বয়
ছুটতে ছুটতে ঝাঁপ দেয় বুর্জ খালিফা থেকে।


মাথা টলতে থাকে ,
পরমা হাত ছেড়ে দেয়।
 


নর্দমার নীচে


আমি পঞ্চম বার নর্দমার নীচে যাবো, দেখবো নর্দমার চুলকানি আছে খুব , আছে বৃহৎ শশ্মান,

তারপর দেখবো রক্তে সফেন আলৌকিক লস‍্যির হাঁড়ির ওপর এক অমোঘ ডালকাঁটা , যা বুড়িলামিয়ার জাদুতে ঘুরে যাচ্ছে তো যাচ্ছেই। এক দৈবাৎ বেশ‍্যা তার স্তনযুগল খুলে রাখছে এক জিরাফের মানিব‍্যাগে, আর জিরাফ তাতে

এঁকে নিচ্ছে জিন্সের ঘড়ি । এক সত্যান্বেষী

দাঁড়কাক পিকাসোর আঁকা দেখে নটা ত্রিশের কথা ভাবছে আর পৃথিবীর প্রথম জিগোলো চাহনিতে ভালবাসা এ্যেনে মোজার সুগন্ধ দিয়ে ভগবানের মনরঞ্জন করতে করতে একটা বিড়াল আধখানা করে ঠাকুরঘরে রেখে দেয়।

image1