সাহিত্য পত্রিকা-ই বলা যেতে পারে...

আশীষ সাহা

তীব্র হচ্ছে

ব্যবধান

এয়ারপোর্টে


নিঃশব্দে

পিওনের তীথি

ফিরে যাও

পুরনো রাস্তায়


শোনো আমার শব্দগুলো 

ওভেনের পাশে

সম্ভাবনা

ভালোবাসার তারিখ


ঐদিকে সাপের গর্ত

সন্ধেবেলা 

কয়েকজন মাতাল

বাড়ি ফিরছে


যখন বসন্ত আসে আমি বুঝতে পারি না

তোমাকে তুলনা করিনা অন্য কিছুর সাথে

শৈশব থেকে যেন একমুঠো ধুলো জড়ো করি


শুদ্ধ প্রত্যাশা

স্নানের সঙ্গে বন্ধুত্ব

জীবনের গান


উদ্যান আচ্ছন্ন করে

ঘাসের প্রতিভা

অনুসরণ করি 

মাঝরাতের শীত


অহংকার করো নিজেকে নিয়ে

আত্মহত্যা করো খাতার সামনে 


শান্ত আগুন

নিভে যায়

জুলাই আবহ

জেগে থাকি


১০

হিংসার প্রয়োজন নেই

বরফে মেশে শর্করা

ক্লান্ত সাবানের মতো


১১

সরে যাও অসুখী প্রেতাত্মারা

যানবাহনের ভীড়ে

কাগজের ছেড়া টুকরোর মতো

ময়ূরের পাহাড়


১২

খরচ করি প্রচুর 

তারপর কাছে কোন টাকাই থাকে না

নর্দমার ভেতরে জোৎস্না ও ইঁদুর

খুঁজে পাই এক আহত প্রজাপতি


১৩

উঁচুতে একটা ফড়িং

সভ্য মানুষেরা

জীবিত

আকাশের নীচে 

 

১৪

অথবা দোতলা থেকে দেখা যায়

তোমার পোষাক আংশিক

নবীন কিশলয়

আর চুনের প্রলেপ


 

শিল্পীঃ লেখক

শিল্পীঃ লেখক