সাহিত্য পত্রিকা-ই বলা যেতে পারে...

অমিতাভ প্রহরাজ

  

সময়- শান্ত বাজতে দশ


আমার অহংকারের অনুস্বার বৌদ্ধ গুম্ফার গাঢ় ঘন্টাধ্বনি থেকে খুলে আনা। এর ভেতরে নিশ্চয়ই এক লামাকে দেখতে পাবে লাবণ্যে মরে যাচ্ছে।
 

সময়- ভাবনা পঁয়তাল্লিশ


 আমরা "কি জানি" আমরা "যা জানি" দিয়ে মাপি। আমরা "কি জানি" কে "যা জানি না" দিয়ে মাপতে না পারলে জিন্দেগীতে জানা চিনতে পারবো না।

যেকোন পাখিকে অন্য একটা পাখির সাপেক্ষে বর্ণনা করার অভ্যেস থেকে আর কবে বেরোবো?

সময়- ভাবনা ছেচল্লিশ

যথার্থ কাল্পনিক লেখার জন্য যথার্থ কাল্পনিক অক্ষর জানার প্রয়োজন হয়।
 

কয়েকশো বছর বাদে লেখাকে দুমড়োনো মুচড়োনো যেত, ছেঁড়া যেত, হাতে ধরা যেত এসবের গল্প শুনবে শিশুরা। যেমন এখন শোনে রাজপুত্রদের ঘোড়া চালানোর গল্প।



তোমাকে শতাংশ করে ভাবিনি কোনদিন
ফলতঃ শ্রীমতীগো
চলে গেলে বুকে খুব যন্ত্র হয়ে থাকে
 


 

মূর্খ আমি
বাজার ফেরত ভেবেছি
ঘরে ফিরেছে সালোক সংশ্লেষ
আলোর পালং বললো নিগূঢ় বচন
অক্সিজেন কেউ নয়, কিছু নয়
হৃৎপিণ্ডের দাঁত মাজবার পেস্ট
 


 

লেখার ভেতরে থাকে পাথরের যদি
জলতল জল বলে ভাবা হয় বলে
ডুবে যায় অনেক আ-কার
একটা আ-কারের নিজস্ব আওয়াজ নেই
তাই, যে তাকে বাঁচাবে শুধু দাগ কাটে
সে উঠে দাঁড়ায়, তখন সে শুধুমাত্র লেখ
 


 

কেউ শেখায়নি
তবু আমরা গা করতে জেনে যাই
কিছু সত্যি কথা জিপসীজনিত
যেমন যেকোনদিন তোমার থেকে ফর্সা সবার নখ
 


 

দু মিনিটে
ম্যাগীর মতো
রক্ত জল করতে পারে একমাত্র চোখ
একমাত্র চোখ মানে জলদস্যু
মেখে ফেলেছে আমাকে…
 


 

যেমন আমার কিংবা জলের
তেমন ঠাকুমার ভেতরেও পরমাণু আছে
ঠাকুমা জানেনা তাই
ইশ্‌, কি ভালো বিষ্ফোরণ মিস করে গেল
 


 

আমাকে মাঝারী করে যাও, প্লীজ
ঘন ঘন জঙ্গল টনটন করে
অন্তত একটা মাঝারী বাঘতো বানাও
যার মাথায় চাঁদ পড়ে মনের ময়ূর খুলে গেছে

 

image6